![]()
বিশ্ববাজারে তেলের দামের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে পাল্লা দিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ১৫-১৮ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং অকটেন ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা করা হয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে যেমন মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি ফিলিং স্টেশনগুলোতে তৈরি হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা। বিশেষ করে দাম বাড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে রাজধানীর আসাদ গেট, মতিঝিল ও রাজারবাগের মতো এলাকাগুলোতে পাম্প কর্তৃপক্ষ অধিক মুনাফার আশায় তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। দীর্ঘ ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল না পেয়ে চালকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যা সামাল দিতে বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করতে হয়। যদিও পাম্প কর্তৃপক্ষ জ্বালানি সংকটের অজুহাত দিয়েছে, তবে ভোক্তাদের দাবি—মজুদ থাকার পরও নতুন দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট ভর্তুকির চাপ কমাতে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সমন্বয় অনিবার্য ছিল, তবে সাধারণ মানুষ আশঙ্কা করছেন এর ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় ও পরিবহন ভাড়া বহুগুণ বেড়ে যাবে।
পাঠকের মন্তব্য