![]()
ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে ‘শত্রু’ প্রয়োজন—এমন মন্তব্য করে সতর্কবার্তা দিয়েছেন Hakan Fidan। তার মতে, ইরানের পর তুরস্কই ইসরায়েলের পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
সোমবার আঙ্কারায় এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ইসরায়েল আঞ্চলিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে নতুন প্রতিপক্ষ খুঁজতে পারে। সেই প্রেক্ষাপটে তুরস্ককে ভবিষ্যৎ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ Strait of Hormuz-এ কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হবে। এই পথ দিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বাণিজ্য নিশ্চিত করতে সামরিক নয়, কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দেন তিনি।
ফিদানের ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক নৌপথ খোলা রাখা এখন বিশ্ববাসীর জন্য অগ্রাধিকার। বলপ্রয়োগ করে স্থিতিশীলতা আনা সম্ভব নয়; বরং শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান খোঁজাই একমাত্র কার্যকর পথ।
তিনি জানান, United States ও Iran—উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন এবং উত্তেজনা কমানোর বিষয়ে অনেকটাই একমত।
এদিকে, Syria পরিস্থিতিকে তুরস্কের জন্য বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, বর্তমানে ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে ইসরায়েল সিরিয়ায় বড় কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না, তবে ভবিষ্যতে সেই সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করা যায় না।
এছাড়া Greece, গ্রিক সাইপ্রাস প্রশাসন ও ইসরায়েলকে নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক সহযোগিতা উদ্যোগের সমালোচনা করে ফিদান বলেন, এসব উদ্যোগ আস্থা বাড়ানোর বদলে অবিশ্বাস বাড়াচ্ছে এবং নতুন সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করছে।
সবশেষে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা আনতে পারস্পরিক সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ভিত্তিতে একটি সমন্বিত আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
পাঠকের মন্তব্য