![]()
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধকে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রোববার সকালে চট্টগ্রাম নগরের মেহেদীবাগ বাসভবনে গণমাধ্যমের সঙ্গে ঈদ–পরবর্তী মতবিনিময়ের সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল বিষয়
মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “অর্থনৈতিক ভঙ্গুর অবস্থায় আমরা দায়িত্ব নিয়েছি, এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ শুরু হলো। এতে দেশের অর্থনীতিতে বড় চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং যদি যুদ্ধ চলতে থাকে, চাপ আরও বাড়বে।”
তিনি উল্লেখ করেন যে, জ্বালানির সংকট এড়াতে মিল-কারখানা ও বিদ্যুৎ খাতের কার্যক্রম যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য বিশেষভাবে ভালো ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
“এখনও মোটামুটি স্থিতিশীল আছে। এই ধারা অব্যাহত রাখার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে যুদ্ধ যদি দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে চাপ আরও বাড়তে থাকবে,” বলেন অর্থমন্ত্রী।
অর্থনীতিতে প্রভাব
১. জ্বালানি সরবরাহ ও উৎপাদন: যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে, যা বিদ্যুৎ খাত ও শিল্প-কারখানায় প্রভাব ফেলবে।
২. মূল্যস্ফীতি: তেলের দাম বাড়লে পণ্যের খরচ ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাবে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও প্রভাব ফেলতে পারে।
৩. বিনিয়োগ ও রপ্তানি: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা থাকলে বিদেশি বিনিয়োগ এবং রপ্তানি কার্যক্রমও প্রভাবিত হতে পারে।
মন্ত্রীর আশ্বাস
অর্থমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে, সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছে এবং দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
তবে তিনি সতর্ক করেছেন যে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে অর্থনৈতিক চাপ স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পাবে।
পাঠকের মন্তব্য