
ইবি রিপোর্ট
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের পরিমাণ কমলেও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন বেড়েছে।
ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, রবিবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৪৫ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫৩২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। একই সঙ্গে অন্য দুই সূচকেও পতন হয়েছে।
শরিয়াহ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০৩ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৯৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
রবিবার ডিএসইতে মোট ৭২৭ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭৫৬ কোটি ৩১ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক কার্যদিবসের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে প্রায় ২৯ কোটি টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৮৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম বেড়েছে।
অন্যদিকে ২৭৭টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে। আর ৩৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর অপরিবর্তিত ছিল।
অর্থাৎ রবিবারের লেনদেনে দরপতনের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দর বাড়া প্রতিষ্ঠানের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।
অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) রবিবার সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১২৮ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৭৮৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এদিন সিএসইতে হাতবদল হওয়া ১৭৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৬টির শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে ৯০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমেছে এবং ২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর অপরিবর্তিত রয়েছে।
তবে সূচকের পতনের মধ্যেও সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। রবিবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ৩৯ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে।
আগের কার্যদিবসে সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১৬ কোটি ৭২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। ফলে এক কার্যদিবসের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ২৩ কোটি টাকা।
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দুই পুঁজিবাজারেই সূচকের পতন হয়েছে। তবে ডিএসইতে লেনদেন কিছুটা কমলেও সিএসইতে লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দিনের লেনদেনে ডিএসইতে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমে যাওয়ায় বাজারে সামগ্রিকভাবে দরপতনের চাপ ছিল।
পাঠকের মন্তব্য