![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (১৬ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কনফারেন্স রুমে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
এ সময় ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ হওয়ার মধ্য দিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থিতার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হলো। যাচাই-বাছাইয়ের পর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বৈধ প্রার্থীদের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন যাচাই শুরু
অন্যদিকে বিএনপির মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু করার কথা রয়েছে রোববার দুপুর ১২টায়।
নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর বৈধ প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। এরপর প্রার্থীদের জন্য মনোনয়ন প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে।
নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, বৈধ প্রার্থীরা আগামী ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টার মধ্যে তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারবেন। শেষ পর্যন্ত একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলে আগামী ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এ নির্বাচনে ভোট দেবেন জাতীয় সংসদের সদস্যরা।
রাষ্ট্রপতি পদে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নপত্র
এবার রাষ্ট্রপতি পদে মোট তিনটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এর মধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে একটি এবং ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে দুটি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।
১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া দুটি মনোনয়নপত্রের মধ্যে অলি আহমদের একটি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই প্রার্থীর নামে জমা দেওয়া অপর মনোনয়নপত্রটি নিয়ম অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
এখন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্রের বৈধতা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে। তার মনোনয়ন বৈধ হলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চূড়ান্ত চিত্র আরও পরিষ্কার হবে।
তবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষে যদি একাধিক বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে থেকে যান, সেক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। আর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একজন প্রার্থী ছাড়া অন্যরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে ভোট ছাড়াই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারিত হওয়ার সুযোগ থাকবে।
পাঠকের মন্তব্য