![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক বন্যায় প্রায় ৭ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ইতোমধ্যে ১ লাখ মানুষের কাছে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের পুনর্বাসন কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। পুনর্বাসন সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সরকারের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
শুক্রবার সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি জানান, বন্যাকবলিত মানুষের জন্য চাল, রান্না করা খাবার, শুকনো খাবারসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী নিয়মিত বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পুনর্বাসন কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার শুধু তাৎক্ষণিক ত্রাণ বিতরণেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন নিশ্চিত করতেও প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যতদিন পর্যন্ত পুনর্বাসন কার্যক্রম পুরোপুরি শেষ না হবে, ততদিন সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও জানান, বন্যার কারণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও যোগাযোগ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সড়ক দ্রুত মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সংস্কার কাজও শুরু হয়েছে, যাতে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা যায়।
ত্রাণ বিতরণ শেষে অর্থমন্ত্রী পতেঙ্গা থেকে চন্দনাইশের উদ্দেশে রওনা দেন। সফরের পরবর্তী পর্যায়ে তিনি সাতকানিয়া, লোহাগড়া এবং বাঁশখালীসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করবেন এবং স্থানীয় পরিস্থিতি পরিদর্শন করবেন।
সরকারের পক্ষ থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্য, আশ্রয় ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো দ্রুত পুনর্গঠনের কার্যক্রমও সমান গুরুত্বের সঙ্গে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
পাঠকের মন্তব্য