![]()
অর্থনীতিবিদ ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারাকাত জুলাই আন্দোলনের সময় নীলক্ষেত এলাকায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় জামিন পাওয়ার পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জামিনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর গত ১৮ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) থেকে মুক্তি লাভ করেন।
এর আগে ১৬ জুন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে ৫ হাজার টাকার মুচলেকায় জামিন দেন। আদালত পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল না হওয়া পর্যন্ত এ জামিন মঞ্জুর করেন। জামিনের দুই দিন আগে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় নীলক্ষেত এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল।
আবুল বারাকাতকে প্রথমে গত বছরের ১০ জুলাই ধানমন্ডির বাসা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেপ্তার করে। পরে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়ের করা একটি মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ওই মামলায় অভিযোগ ছিল, অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে জনতা ব্যাংক থেকে ২৯৭ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে। গত ৭ জুন আপিল বিভাগ ওই মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করে এবং পাসপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার শর্ত আরোপ করে।
তবে দুদকের মামলায় জামিন পাওয়ার পরও তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মুক্তি পাননি। কারণ কারাগার থেকে বের হওয়ার আগেই তাকে নীলক্ষেতের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর নীলক্ষেত এলাকায় আন্দোলনের সময় গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ নিহত হন। এ ঘটনায় তার শ্যালক আব্দুর রব নিউ মার্কেট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ মোট ১৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে আবুল বারাকাত জামিনে মুক্ত থাকলেও হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য