![]()
মোহাম্মদ ইকবাল জামাল
সুইজারল্যান্ডের ব্যাংক গুলোই সুইস ব্যাংক। স্বতন্ত্র ও গোপনীয়তা রক্ষার আইন ও রীতির কারণে সুইস ব্যাংক গুলি বেশ জনপ্রিয় ও নিরাপদ বিশেষ করে বিশ্বের অবৈধ অর্থ উপার্জনকারী গ্রাহকদের কাছে। ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস জমানার দেড় বছরের ১ বছরেই (২০২৫ সালে) কথিত নিরাপদ সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২,৭৬৩ কোটি টাকা পাওয়া গেলো (এটা বর্তমান স্থিতি) যা পূর্ববর্তী সরকারের আমলের ৪১ শতাংশ বেশি অর্থাৎ যা আগের বছর ছিল ৯,০৫২ কোটি টাকা এবং যা ২০১০ সালের পর সর্বোচ্চ (দেখা যাচ্ছে নিয়মত্রান্তিক সরকারের সময়ের তুলনায় অস্থায়ী বা অনিয়মত্রান্তিক সরকারের স্বল্প সময়ের সরকারের দুর্নীতি তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি। কারণ ২০১০ সাল এক-এগারোর সরকার পরবর্তী বছর এবং ২০২৫ আওয়ামী সরকারের পরবর্তী বছর। কথিত ব্যাপক দুর্নীতিবাজ হাসিনা সরকারের সাড়ে ১৫ বছরের মোট জমাকৃত অর্থের তুলনায় শুধু সুইস ব্যাংকেই বেড়েছে ৪১ শতাংশ, তাহলে দুবাই, সিঙ্গাপুর, মালোয়েশিয়া, আমেরিকা, কানাডা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ব্যাংকক, সাউথ আফ্রিকা সহ অন্যান্য দেশে যদি একই চিত্রও ধরি, তাহলে সেটার মোট পরিমাণ কত হতে পারে যা চিন্তা করতেও বুক কাঁপে। ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসের ভক্ত বন্ধুরা এর জবাব দেবেন কি যারা উনাকে মহাপুরুষ ভাবেন। মনে রাখবেন, He is only for Him.
[ বিঃ দ্রঃ ঘোষিত ১২,৭৬৩ হাজার কোটি টাকা বর্তমান স্থিতি, আসল টাকার পরিমাণ আরও বেশি ছিল নিশ্চয়, কেননা জমার পর টাকা উত্তোলন করা হয়েছে নিশ্চয়, সুইস ব্যাংকে নাকি গত কয়েক বছর পাচারের টাকা কম জমা হচ্ছে, কারণ সুইস কর্তৃপক্ষ আন্তর্জাতিক আইন ও তাদের নিজস্ব কিছু নীতিতে কিছু পরিবর্তনের কারণে জমাকারীর পরিচয় ও টাকার পরিমাণ প্রকাশ করে দেয়। যদিও সুইস ব্যাংকের সব টাকাই দুর্নীতির সাহায্যে অর্জিত না, ঐ টাকা সারা পৃথিবীতে থাকা সকল বাংলাদেশিদের মোট টাকার পরিমাণ যার মধ্যে বৈধ টাকাও আছে। সাধারণ ভাবে সুইস ব্যাংকে জমা টাকাকে অতীতের ধারণার কারণে অবৈধ টাকা বলে বিবেচনা করা হয় এবং এখন সুইস কর্তৃপক্ষ জমাকারীদের পরিচয় ও টাকার পরিমাণ প্রকাশ করে দেয় বিধায় বাংলাদেশি বৈধ-অবৈধ জমাকারীরা সুইস ব্যাংকে টাকা জমা রাখা কমিয়ে দিয়েছে। তবে এটা ঠিক সুইস ব্যাংকে জমা কৃত বেশিরভাগ বাংলাদেশিদের জমাকৃত টাকা অবৈধ। সরকারের উচিত হবে এদের নাম প্রকাশ করে দেয়া ও অবৈধ টাকা দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া দ্রুত করা।]
পাঠকের মন্তব্য