![]()
হরমুজ প্রণালিতে একটি সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার অভিযোগ তুলে ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলার দাবি করেছে ইরানের Islamic Revolutionary Guard Corps।
বুধবার (১০ জুন) ভোরে Bahrainজুড়ে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিক ও বাসিন্দাদের শান্ত থাকার পাশাপাশি নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বার্তায় কর্তৃপক্ষ জানায়, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং জনগণকে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
এদিকে আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় তারা বাহরাইনে অবস্থানরত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে হামলার ফলে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কিনা, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র বা বাহরাইনের পক্ষ থেকেও এ দাবি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
একই সময়ে Kuwaitেও সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়। কুয়েতের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্ভাব্য আকাশীয় হুমকি মোকাবিলায় সক্রিয় রয়েছে এবং অনুমোদিত প্রতিরক্ষা প্রোটোকল অনুসরণ করছে। জনগণকে গুজবে কান না দিয়ে সরকারি সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহের আহ্বানও জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা Jordanের আল আজরাক এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে দূরপাল্লার সলিড-ফুয়েল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই ঘাঁটিতে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছিল। তবে জর্ডানের পক্ষ থেকে কোনো হামলার সাইরেন বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
সাম্প্রতিক এই পাল্টাপাল্টি হামলার দাবিগুলো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে। তবে বিভিন্ন পক্ষের দাবি ও পাল্টা দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য এখনো সীমিত। ফলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি ও পরিস্থিতির পূর্ণ চিত্র জানতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আনুষ্ঠানিক বিবৃতি ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
পাঠকের মন্তব্য