![]()
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের আবেদন জানিয়েছে। একই সঙ্গে আদালত মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৭ জুন দিন ধার্য করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্কে জানায়, সাক্ষ্য-প্রমাণ, ১৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি এবং তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত বলে দাবি করা হয়।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী যুক্তি দেন, মামলায় ফরেনসিক পরীক্ষা না থাকায় এবং অভিযোগ মূলত জবানবন্দির ওপর নির্ভর করায় সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া সমীচীন নয়। তারা সোহেল রানার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন এবং স্বপ্না আক্তারের ক্ষেত্রে সীমিত ধারায় শাস্তির আবেদন জানান।
শুনানির সময় কারাগার থেকে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে সোহেল রানা নিজের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন, আর স্বপ্না আক্তার নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ১৯ মে সকালে পল্লবীর একটি বাসায় ৮ বছর বয়সী রামিসা আক্তারকে কৌশলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে ঘটনাটি ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
পাঠকের মন্তব্য