![]()
তিনি দাবি করেন, ইরাক-ইরান যুদ্ধ বন্ধে জিয়াউর রহমানের “অসামান্য অবদান” ছিল এবং তার নেতৃত্বে “আল কুদস বাহিনী” গঠিত হয়েছিল—যা একটি বিতর্কিত ও যাচাইযোগ্য ঐতিহাসিক দাবি হিসেবে বিবেচিত, কারণ আন্তর্জাতিকভাবে ইরাক-ইরান যুদ্ধবিরতির প্রধান কূটনৈতিক প্রক্রিয়া জাতিসংঘ ও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোর মধ্যস্থতায় সম্পন্ন হয়, সেখানে বাংলাদেশের কোনো আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব বা আল কুদস বাহিনী গঠনের ঐতিহাসিক স্বীকৃতি মূলধারার ইতিহাসে পাওয়া যায় না।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের উদ্যোগেই সার্ক (SAARC) প্রতিষ্ঠার ধারণা এসেছে—এটি আংশিকভাবে রাজনৈতিক ব্যাখ্যা, কারণ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা গঠনের প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক উদ্যোগ জড়িত ছিল এবং এটি ১৯৮৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
বক্তব্যে তিনি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক ও যুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী হিসেবে তুলে ধরেন, যা বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত একটি বিষয়।
এছাড়া তিনি পানিবণ্টন, আঞ্চলিক কূটনীতি, এবং ৭ নভেম্বরের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে জিয়ার “দূরদর্শী নেতৃত্বের ফল” হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।
সার্বিকভাবে, এটি একটি রাজনৈতিক স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য, যেখানে ইতিহাস ও ভূরাজনীতির কিছু ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে—যার কিছু অংশ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি-নির্ভর এবং সব দাবিই একাডেমিক বা আন্তর্জাতিকভাবে সর্বসম্মত নয়।
পাঠকের মন্তব্য