![]()
প্রধান বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই অভিজ্ঞতা বাহিনীকে আরও দক্ষ ও আধুনিক করবে।
তিনি মুক্তিযুদ্ধে আনসার বাহিনীর অবদান স্মরণ করেন, যেখানে প্রায় ৪০ হাজার সদস্য অংশ নিয়েছিলেন এবং শত শত সদস্য শহিদ হন। পাশাপাশি স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বাহিনীর পুনর্গঠন ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশে বিভিন্ন সরকারের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতিতে থানা নিরাপত্তা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সুরক্ষায় বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। একই সঙ্গে শৃঙ্খলা, চেইন অব কমান্ড ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।
আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে তিনি জানান, প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল দক্ষতা (ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভাষা প্রশিক্ষণ), কর্মসংস্থান প্ল্যাটফর্ম এবং নতুন বিধিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে বাহিনীকে আরও সক্ষম করা হচ্ছে।
সবশেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই বাহিনী ভবিষ্যতে একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও মানবিক সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো হিসেবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
পাঠকের মন্তব্য