![]()
Donald Trump বলেছেন, ইরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখাই তার প্রধান অগ্রাধিকার, এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন নাগরিকদের আর্থিক কষ্ট তাকে প্রভাবিত করছে না।
হোয়াইট হাউস থেকে চীন সফরের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ইরানের বিষয়ে আমি যখন কথা বলি, তখন একটি বিষয়ই কেবল গুরুত্ব পায়—তারা পরমাণু অস্ত্র রাখতে পারবে না।” তিনি আরও বলেন, মার্কিনিদের আর্থিক অবস্থা বা অন্য কোনো বিষয় নয়, তার মাথায় মূলত এই নিরাপত্তা ইস্যুই কাজ করছে।
এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছে। ইরান সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রভাবে জ্বালানি ও গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতিও বৃদ্ধি পেয়েছে। এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যস্ফীতি গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ট্রাম্পের বক্তব্যের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক Steven Cheung। তিনি বলেন, মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রেসিডেন্টের প্রধান দায়িত্ব এবং ইরান পরমাণু অস্ত্র পেলে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় হুমকি হবে।
অন্যদিকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাত ও হামলার পরও ইরানের সম্ভাব্য পরমাণু সক্ষমতার সময়সীমায় খুব বড় পরিবর্তন হয়নি। তাদের ধারণা, ইরানের সম্ভাব্য সক্ষমতা অর্জনের সময়সীমা এখনও প্রায় ৯ মাস থেকে এক বছরের মধ্যে রয়েছে।
এদিকে Iran বরাবরই দাবি করে আসছে যে তাদের পরমাণু কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে এবং তারা পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহ প্রকাশ করে আসছে যে তেহরান গোপনে অস্ত্র সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করছে।
পাঠকের মন্তব্য