![]()
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিংয়ের সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, তিস্তা নদী দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষি, জীবন-জীবিকা ও অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নদী। বর্ষায় অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে নদীতে বন্যা ও ভাঙন দেখা দেয়, আবার শুষ্ক মৌসুমে পানিপ্রবাহ প্রায় শূন্যে নেমে আসে। পাশাপাশি পলি জমে নদী ভরাট হয়ে একাধিক চ্যানেলে বিভক্ত হয়ে পড়ে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ওই সমীক্ষায় নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ১১০ কিলোমিটার ড্রেজিংয়ের সুপারিশ করা হয়েছে, যার মধ্যে গাইবান্ধা-১ আসনের সুন্দরগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার অংশও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সমীক্ষার কারিগরি ও আর্থিক বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলে এবং প্রকল্পটি প্রযুক্তিগতভাবে বাস্তবসম্মত বলে বিবেচিত হলে ড্রেজিং কাজের নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।
সব মিলিয়ে সরকার তিস্তা নদীর নাব্যতা পুনরুদ্ধার ও বন্যা-ভাঙন নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছে, তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য