![]()
দেশে টানা তাপপ্রবাহের পর পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে শুরু হয়েছে কালবৈশাখী ঝড়, বজ্রপাত ও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই আবহাওয়া পরিস্থিতি আগামী আরও তিন থেকে চার দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে, ১৬০ মিলিমিটার। এছাড়া ভোলা, খেপুপাড়া, কুমিল্লা ও সীতাকুণ্ডসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে। ঢাকাতেও সকালে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থেমে থেমে বৃষ্টি চলবে এবং দক্ষিণাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির মাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। অন্যদিকে রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কম থাকবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে দেশের সব বিভাগেই কালবৈশাখী ঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে, যার সঙ্গে থাকবে বজ্রপাতের ঝুঁকি। পাশাপাশি ৯৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী জলাবদ্ধতার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে এই বৃষ্টির কারণে দেশে চলমান তাপপ্রবাহ আপাতত প্রশমিত হয়েছে এবং তাপমাত্রা কিছুটা কমে এসেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
পাঠকের মন্তব্য