![]()
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে দেশকে ধারণের প্রতিজ্ঞায় অবিচল থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ সকালে ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সংবিধানের মর্যাদা সমুন্নত রাখা, জনগণের আস্থা অটুট রাখা এবং সততা, শপথ ও ত্যাগের মাধ্যমে দেশপ্রেমের পরিচয় দিতে হবে। একইসঙ্গে তিনি পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা দলের সম্পত্তি নয়; এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি ও মর্যাদার প্রতীক। সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনগণের আস্থাই বাহিনীর মূল ভিত্তি হওয়া উচিত।
তিনি অতীতে বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল ও বিতর্কিত করার চেষ্টার কথা উল্লেখ করে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তোলেন এবং বলেন, এ ধরনের ঘটনাগুলো বাহিনীর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে জিয়াউর রহমান-এর অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেই সময়ের দেশপ্রেম ও ঐক্যবদ্ধ চেতনা বজায় রাখা জরুরি। একটি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ সশস্ত্র বাহিনী থাকলে বাংলাদেশকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনী শুধু যুদ্ধকালীন নয়, বরং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে।
প্রধানমন্ত্রী এমন একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাকে বহিঃবিশ্ব সমীহ করবে এবং দেশের জনগণ আস্থার প্রতীক হিসেবে দেখবে। পেশাদারিত্বের প্রশ্নে কোনো আপস না করার নির্দেশনাও দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত সদস্যরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এতে অংশ নেন।
পাঠকের মন্তব্য