
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে ঘিরে মোহাম্মদ বিন সালমান এটিকে একটি ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ হিসেবে দেখছেন বলে জানা গেছে। তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্প-কে ইরান-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন বলেও মার্কিন সূত্র জানিয়েছে।
গত কয়েকদিনের আলোচনায় সৌদি যুবরাজ যুক্তি দিয়েছেন, ইরানের বর্তমান সরকার উপসাগরীয় অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি হুমকি এবং তা দূর করতে কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। একই অবস্থান দেখা গেছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর মধ্যেও।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব ও ইসরায়েলের দৃষ্টিভঙ্গিতে পার্থক্য রয়েছে। ইসরায়েল দুর্বল বা অস্থিতিশীল ইরানকে কৌশলগত সুবিধা হিসেবে দেখলেও, সৌদি আরব আশঙ্কা করছে—একটি ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ তাদের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
অন্যদিকে, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ঝুঁকি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। এতে ইরানের পাল্টা হামলায় সৌদি তেল স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।
প্রকাশ্যে ট্রাম্প কখনো যুদ্ধ শেষ করার ইঙ্গিত দিচ্ছেন, আবার কখনো কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন—যা পুরো পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
পাঠকের মন্তব্য