![]()
ইবি রিপোর্ট
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নয়াপল্টনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কর্মসূচি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে যান চলাচল বন্ধ রেখে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে নিরাপত্তার এমন চিত্র দেখা যায়। সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যদের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তা কার্যক্রমে এসআরবি, পিজিআর, পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা অংশ নিয়েছেন।
শোভাযাত্রার মঞ্চ ও আশপাশের এলাকায় নেওয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। সেখানে ডগ স্কোয়াড মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সড়কে ব্যারিকেড স্থাপন করে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কটি বন্ধ থাকায় ওই এলাকায় সাধারণ যানবাহনের চলাচল সীমিত রাখা হয়েছে।
দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কর্মসূচিকে ঘিরে নিরাপত্তার সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শোভাযাত্রা ও সমাবেশ চলাকালে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বিভিন্ন পর্যায়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে।
দলীয় সূচি অনুযায়ী, শনিবার দুপুর ২টার মধ্যে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। তাঁর বক্তব্যের পর বিকাল ৩টায় তাঁর নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিএনপির নির্ধারিত কর্মসূচি অনুসারে, শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টন থেকে যাত্রা শুরু করবে। এরপর প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে কাকরাইল মোড় অতিক্রম করে হেয়ার রোড ও মিন্টো রোড হয়ে এগিয়ে যাবে। পরে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে দিয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট অতিক্রম করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শোভাযাত্রাটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে শুক্রবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি শোভাযাত্রার নির্ধারিত পথ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানান।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ এবং তাঁর নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হওয়ার পরিকল্পনাকে ঘিরে নয়াপল্টন এলাকায় আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সমাবেশস্থল, মঞ্চ, আশপাশের সড়ক এবং শোভাযাত্রার সম্ভাব্য পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।
পাঠকের মন্তব্য