![]()
ইবি রিপোর্ট
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৫৪ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি ৬৫ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। গতকাল সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের হিসাব তুলে ধরা হয়েছে এতে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ২ লাখ ১৩ হাজার ২৪৪ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ১২২ জনে। এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, নিশ্চিত হাম নিয়ে মারা গেছেন ১০৪ জন।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪৮৪ জন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৭৫৬ জন।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৩২ জন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯০৮ জন। এ সময় নতুন রোগী শনাক্তের হিসাবে বিভাগগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪৮৩ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ বিভাগে একই সময়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ২১৬ জন, বরিশাল বিভাগে ২০৫ জন, সিলেট বিভাগে ১২৩ জন, খুলনা বিভাগে ৭৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭৩ জন, রংপুর বিভাগে ৪২ জন এবং রাজশাহী বিভাগে ৩৭ জনের মধ্যে নতুন করে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।
মৃত্যুর হিসাবে ঢাকা বিভাগের পর সিলেটে দুইজন মারা গেছেন। এ ছাড়া খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে উপসর্গযুক্ত রোগী, নিশ্চিত হাম শনাক্ত, হাসপাতালে ভর্তি, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা এবং মৃত্যুর পৃথক হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, দেশে হামের উপসর্গ শনাক্তের সংখ্যা ২ লাখ ১৩ হাজার ছাড়িয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২৩ হাজারের বেশি মানুষের।
পাঠকের মন্তব্য