
ইবি রিপোর্ট
এরআগে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) এনবিআরের নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মূল্য সংযোজন কর-ঢাকার দুটি নিবারক দল আলফার কয়েকটি আউটলেটে অনুসন্ধান চালায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ই-কমার্স ব্যবসার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভ্যাট ফাঁকি। বিষয়টি নিয়ে নিরীক্ষা গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মূল্য সংযোজন কর-ঢাকা তাদের রিচার্স টিমের মাধ্যমে এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করে। তারই ফলাফল হিসেবে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়। ‘আলফা ই-শপ’ এ ধরনের একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, যা অনুসন্ধাধীন রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়- ‘আলফা ই-শপ’ বিভিন্ন ধরনের দামি ব্রান্ডের ফ্যান, ডেকোরেটিভ ফ্যান, ঘর সাজানো দামি লাইটিং, ঝাড়বাতি, ইলেকট্রনিক্স, ইন্টেরিয়র ডিজাইনের পণ্য, এসি, টিভি ইত্যাদি আমদানি এবং স্থানীয়ভাবে ক্রয় করে বিক্রি করে। নিজস্ব ইন্টেরিয়র ডিজাইন টিমের মাধ্যমে তারা পুরো অফিস এবং বাসার ইন্টেরিয়র কাজ করে থাকে।
প্রতিষ্ঠানটি ক্রেতা আকর্ষণের জন্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে। পোশাক ব্রান্ডের মতো তারা সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ব্যবহার করে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করে থাকে।
এনবিআরের নিবারক দল দুইটি একযোগে আলফার দুটি শো-রুমে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় তারা প্রতিষ্ঠানে রাখা ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত বাণিজ্যিক দলিলাদি জব্দ করে। বিক্রিত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, করপোরেট সেল, শোরুম সেল, বনানী অনলাইন শোরুম সেল, অনলাইন কল সেল, অনলাইল হোয়াটসঅ্যাপ কল সেল, অনলাইন ডিলার সেল, ওয়েবসাইড সেল ইত্যাদি অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করে তারা পণ্য বিক্রয় করে থাকে। এর পাশাপাশি তারা বনানী-১১ এবং মিরপুর-১২-তে অবস্থিত দুটি শোরুমের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করে থাকে। দলিলাদি পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে প্রায় দুই কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি ফাঁকিকৃত রাজস্ব পরিশোধে মৌখিক সম্মতি প্রদান করে। সংগৃহীত দলিলাদি পর্যালোচনাপূর্বক আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানায় এনবিআর।