![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
মারধর, বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও যৌন হয়রানির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনির জেরা পিছিয়ে গেছে। তার সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী তারিখ আগামী ৩০ নভেম্বর নির্ধারণ করেছেন আদালত।
রোববার (৯ আগস্ট) শুনানি শেষে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯-এর বিচারক মোহাম্মদ সাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন। পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
যানজটে আদালতে পৌঁছাতে পারেননি
আইনজীবী জানান, রোববার পরীমনিকে জেরার জন্য দিন নির্ধারিত ছিল। এ কারণে সকালে তিনি আদালতের উদ্দেশে রওনা হন এবং দুপুর ১২টার দিকে আদালতে উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পথে দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়ায় নির্ধারিত সময়ে আদালতে পৌঁছাতে পারেননি তিনি।
আইনজীবী বলেন, সময় চেয়ে একাধিকবার আদালতকে বিষয়টি জানানো হয়। শেষ পর্যন্ত পরীমনি আদালতে উপস্থিত হতে না পারায় বিচারক জেরার জন্য আগামী ৩০ নভেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
এর আগেও পিছিয়েছিল জেরা
এর আগে ২০২৫ সালের ২৬ মে মামলায় সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির হয়েছিলেন পরীমনি। তবে ওইদিন অসুস্থ হয়ে পড়ায় তার জেরা করা সম্ভব হয়নি।
২০২২ সালের ১৮ মে মামলার তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একই বছরের ২৯ নভেম্বর পরীমনির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
মামলার আসামিরা হলেন নাসির উদ্দিন, তুহিন সিদ্দিকী অমি ও শহীদুল আলম।
যেভাবে শুরু হয় মামলা
মামলার তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নাসির উদ্দিন, তুহিন সিদ্দিকী অমি ও শহীদুল আলমকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৪ জুন সাভার থানায় ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন ও তুহিন সিদ্দিকী অমির নাম উল্লেখ করে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন পরীমনি।
মামলা দায়েরের পর অভিযানে নামে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ওইদিনই রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে নাসির উদ্দিনসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় ওই বাসা থেকে মদ, বিয়ার ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিল পুলিশ।
মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর পরীমনির জেরা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য