![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
শেভরন বাংলাদেশের (Chevron Bangladesh) নতুন প্রেসিডেন্ট ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন শু শিয়ং। শনিবার (১ আগস্ট) থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। তিনি গত ছয় বছর ধরে শেভরন বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেওয়া এরিক এম. ওয়াকারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
শু শিয়ং সর্বশেষ শেভরন চায়নার ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে তিনি কোম্পানির আপস্ট্রিম (Upstream) কার্যক্রম, জ্বালানি মূল্যশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন যৌথ উদ্যোগভিত্তিক (Joint Venture) ব্যবসার নেতৃত্ব দেন। জ্বালানি খাতে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং কৌশলগত নেতৃত্বের কারণে তাকে শেভরন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
২০০৭ সালে শেভরনে যোগ দেওয়ার পর থেকে শু শিয়ং প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন। কৌশল নির্ধারণ, ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, ট্রেডিং, পূর্বাভাস বিশ্লেষণ, পরিচালনা এবং বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পাশাপাশি নতুন বাণিজ্যিক সুযোগ সৃষ্টি এবং বিভিন্ন অংশীদার ও বাজারসংশ্লিষ্ট সম্পর্ক উন্নয়নে তার উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকেও সমৃদ্ধ শু শিয়ং যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ এবং ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টন থেকে ফাইন্যান্স বিষয়ে বিবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় শু শিয়ং বলেন, “শেভরন বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। বাংলাদেশ সরকার ও পেট্রোবাংলার সঙ্গে শেভরনের তিন দশকেরও বেশি সময়ের অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যতের জ্বালানি চাহিদা পূরণে শেভরন কার্যকর ভূমিকা রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতেও প্রতিষ্ঠানটি কাজ চালিয়ে যাবে।
শু শিয়ং জানান, তিনি ও তার পরিবার বাংলাদেশকে তাদের নতুন আবাস হিসেবে গ্রহণ করতে পেরে আনন্দিত। বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখতে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনে শেভরন তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশের জ্বালানি খাতে প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগ এবং উৎপাদন কার্যক্রম জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে।
পাঠকের মন্তব্য