![]()
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের সম্মানি পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করা হবে। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, শুধু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই শিক্ষার মান উন্নত হয় না; শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উপযুক্ত সম্মানি নিশ্চিত করাও জরুরি। তার ভাষায়, অনেক শিক্ষক সংসার চালাতে বাধ্য হয়ে দ্বিতীয় পেশায় যুক্ত হন, ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ও মনোযোগ দিতে পারেন না। তাই সরকার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ধাপে ধাপে তাদের সম্মানি বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, চলতি বাজেটে জিডিপির ২ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে স্কুল ড্রেস ও স্কুল ব্যাগ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি সংসদীয় এলাকায় ধাপে ধাপে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
সংসদে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী কৃষিপণ্য রপ্তানির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, সাম্প্রতিক চীন সফরে বাংলাদেশের কাঁঠাল রপ্তানির বিষয়ে চুক্তি হয়েছে। তিনি বলেন, চীনে কাঁঠালের চাহিদা রয়েছে এবং এ খাত থেকে ভবিষ্যতে উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্ভাবনা আছে। পাশাপাশি আনোয়ার ইব্রাহিম–এর সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মালয়েশিয়া প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ ডুরিয়ান চীনে রপ্তানি করে। বাংলাদেশও কাঁঠাল রপ্তানির মাধ্যমে একই ধরনের সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পাঠকের মন্তব্য