![]()
ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা Yair Lapid সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu-এর কঠোর সমালোচনা করেছেন। তার দাবি, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বা সংঘাতের যে লক্ষ্যগুলো ইসরায়েল নির্ধারণ করেছিল, সম্ভাব্য এই চুক্তি তার কোনোটিই পূরণ করতে পারেনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে লাপিদ বলেন, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা বহাল রয়েছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিও অক্ষত আছে এবং ভবিষ্যতে তারা পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠনের সুযোগ পাবে। তার মতে, এসব কারণে চুক্তিটি ইসরায়েলের কৌশলগত স্বার্থ পূরণে ব্যর্থ।
লাপিদ আরও অভিযোগ করেন, এই পরিস্থিতি নেতানিয়াহুর “চরম ব্যর্থতার” ফল এবং এর কারণে ইসরায়েল ক্রমেই একটি “নির্ভরশীল রাষ্ট্রে” পরিণত হচ্ছে। তিনি বলেন, কোনো সংবাদ সম্মেলন, গণমাধ্যম প্রচারণা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ভিডিও এই ব্যর্থতাকে আড়াল করতে পারবে না।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় রোববার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত নিরসনে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চুক্তি কার্যকর হলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌবাণিজ্য পথ Strait of Hormuz আবারও আন্তর্জাতিক নৌযানের জন্য উন্মুক্ত হবে।
তবে ইরানের অবস্থান কিছুটা সতর্ক। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আগে জানানো হয়েছিল যে চুক্তি স্বাক্ষরের নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো নিশ্চিত নয়।
চুক্তি প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখা Pakistan-ও আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। দেশটির সরকার জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং সম্ভাব্য ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।
যদি চুক্তিটি বাস্তবায়িত হয়, তবে এটি শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা কমানোর ক্ষেত্রেই নয়, বরং সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতার ওপরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
পাঠকের মন্তব্য