![]()
বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর, স্থিতিশীল ও শিল্পোন্নত দেশে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমৃদ্ধি ও মর্যাদার ন্যায্য অধিকার ভোগ করবে।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনৈতিক কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে সরকার যেকোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। অর্থনীতিতে সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং প্রভাবশালী অর্থনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর একচেটিয়া আধিপত্য ভেঙে দেওয়া সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “আমি আজ এখানে কোনো প্যানেল আলোচক হিসেবে আসিনি; বরং সরকারের লক্ষ্য, প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার তুলে ধরতেই উপস্থিত হয়েছি।”
সম্মেলনের প্রতিপাদ্যের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, “ঝুঁকি মোকাবিলা, স্থিতিস্থাপকতাকে কাজে লাগানো এবং নতুন উদ্যম ও সঠিক দিকনির্দেশনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার যে বার্তা এখানে তুলে ধরা হয়েছে, তা আমাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।”
বর্তমান সরকারের মেয়াদকালের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র একশ দিনের কিছু বেশি সময় পার হয়েছে। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত সুদৃঢ়। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যা হবে স্বনির্ভর, স্থিতিশীল ও শিল্পোন্নত।”
তিনি আরও বলেন, সরকার নতুন নতুন বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশের প্রবৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে চায়।
এর আগে সকালে যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, অর্থনীতিতে সাম্য ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ভেঙে দেওয়াই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন ভাবনা ও ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তরুণদের নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
পাঠকের মন্তব্য