![]()
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ঘোষণার প্রাক্কালে দেশের অর্থনীতি একাধিক জটিল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। দীর্ঘদিন ধরে ৯ শতাংশের ওপরে থাকা মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দারিদ্র্য বাড়িয়েছে, অন্যদিকে গ্যাস সংকট ও নীতিগত অনিশ্চয়তায় স্থবির হয়ে পড়েছে নতুন বিনিয়োগ।
চাকরির বাজারেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। সীমিত সংখ্যক পদের বিপরীতে লাখ লাখ আবেদন জমা পড়ছে, ফলে তরুণদের মধ্যে কর্মসংস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। একই সময়ে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে মাত্র ৪.৭৫ শতাংশে, যা ব্যবসা সম্প্রসারণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণই হবে সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, কর-সুবিধা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি।
ব্যবসায়ীরা দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নীতি, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ এবং কার্যকর পুঁজিবাজার গঠনের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, জ্বালানি ও নীতিগত অনিশ্চয়তা দূর না হলে নতুন শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি বাধাগ্রস্ত হবে।
এমন বাস্তবতায় অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ যে বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন, তা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, ব্যবসায় আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চারের ক্ষেত্রে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সেদিকেই এখন সবার নজর।