![]()
শুভ বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রতিটি নাগরিক যেন স্বাধীনভাবে ধর্মীয় রীতি-নীতি পালন করতে পারে এবং সমান অধিকার ভোগ করতে পারে—এমন একটি রাষ্ট্র গড়ে তোলাই সরকারের প্রধান দায়িত্ব।
সচিবালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার”—এ নীতিতেই সরকার বিশ্বাস করে এবং ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তার মতে, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষ মিলেই দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছে, তাই বাংলাদেশ সবার।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ দেশের বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উদ্দেশে বলেন, তারা যেন নিজেদের কখনো সংখ্যালঘু মনে না করেন।
বক্তব্যে তিনি গৌতম বুদ্ধ-এর পঞ্চশীল নীতির কথা উল্লেখ করে বলেন, এসব নীতি—যেমন প্রাণী হত্যা না করা, চুরি না করা, মিথ্যা না বলা—একটি মানবিক সমাজ গঠনে সহায়ক। তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাষ্ট্রীয় আইন মেনে চলার পাশাপাশি সবাই যদি নিজ নিজ ধর্মীয় শিক্ষাগুলো অনুসরণ করে, তাহলে একটি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষে বৌদ্ধ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন।
পাঠকের মন্তব্য