![]()
ইবি রিপোর্ট
চাকরির আশায় কম্বোডিয়ায় গিয়ে বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টারে আটকে পড়ার পর দেশে ফেরার পথে ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হওয়া ৩০ বাংলাদেশি অবশেষে দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান।
দেশে ফেরা ৩০ বাংলাদেশি হলেন— মো. হারুন অর রশীদ, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, মো. তারলিব হাসান তিতুল, সুমিত চন্দ্র দাস, রাকিব হোসেন, বাপ্পি দাস, মো. লাবন শেখ, মো. আবদুর রহমান, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মোস্তফা, নূর নবী, মো. ইমন আলী, মো. বারকাতুল্লাহ, মো. রুবেল মিয়া, আলী আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, শামসুল আলম, মো. আবদুর রহমান, আবু জাহের সবুজ, শাওন, নাহিদ ঢালি, রাজু হোসেন, মো. তৈয়ব আলী শেখ, সাইমন ভূঁইয়া, মো. রাশেদুল, মো. আকাশ আহমেদ, মো. শিমুল আলী, আশিকুর রহমান, মো. আলামিন পিকে ও মোহাম্মদ কবির।
এই বাংলাদেশিরা কম্বোডিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। তাদের মুক্ত করে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নিতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ব্যাংককে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিবকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।
জানা গেছে, চাকরির আশায় কম্বোডিয়ায় যাওয়া এসব বাংলাদেশি দেশটির বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টারে আটকা পড়েন। পরে কম্বোডিয়া সরকার বিনা জরিমানায় দেশে ফেরার সুযোগ দিলে তারা দেশে ফেরার জন্য নিজেদের নাম তালিকাভুক্ত করেন। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে গত ৩ সেপ্টেম্বর তারা কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনের বিমানবন্দরে পৌঁছান।
তবে বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন যাচাইয়ের সময় অবৈধ অবস্থানসহ অন্যান্য জটিলতার কারণে তাদের দেশে ফেরা তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভব হয়নি। ইমিগ্রেশন পুলিশ ওই সময় ৩২ জন বাংলাদেশিকে আটক করে। পরে তাদের মধ্যে দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জনকে দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়।
আটক বাংলাদেশিদের দেশে ফেরানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগের পর শেষ পর্যন্ত তাদের প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা হয়। মঙ্গলবার থাই এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটে ওই ৩০ বাংলাদেশির।
পাঠকের মন্তব্য