![]()
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আজ মাঠে নামছে রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। শেষ ষোলোর টিকিটের লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ এশিয়ার শক্তিশালী দল ‘ব্লু সামুরাই’ জাপান। দুই দলের জন্যই এটি বাঁচা-মরার ম্যাচ—জিতলেই শেষ ষোলো, হারলেই বিশ্বকাপ অভিযান শেষ।
গ্রুপ পর্বে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল ব্রাজিল। এরপর হাইতি ও স্কটল্যান্ডকে টানা ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ ‘সি’-এর শীর্ষ দল হিসেবে নকআউটে জায়গা করে নেয় সেলেসাওরা। চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে আছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও মাতেউস কুনিয়া। ভিনিসিয়ুস করেছেন চার গোল, আর কুনিয়ার নামের পাশে রয়েছে তিনটি গোল।
তবে চোটের কারণে বড় ধাক্কাও খেয়েছে ব্রাজিল। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে গ্রুপ পর্বেই ছিটকে গেছেন রাফিনহা। তার জায়গায় ডান প্রান্তে খেলার সম্ভাবনা রয়েছে তরুণ রায়ানের। অন্যদিকে স্কটল্যান্ড ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে প্রায় আড়াই বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন নেইমার। জাপানের বিপক্ষে তাকে আরও বড় ভূমিকা পালন করতে দেখা যেতে পারে।
অন্যদিকে গ্রুপ ‘এফ’-এ নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র, তিউনিসিয়াকে ৪-০ ব্যবধানে হারানো এবং সুইডেনের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে রানার্সআপ হিসেবে নকআউটে উঠেছে জাপান। দলটির হয়ে দাইচি কামাদা ও আয়াসে উয়েদা দুটি করে গোল করেছেন।
দারুণ ছন্দেই রয়েছে জাপান। শেষ ২৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে তারা হেরেছে মাত্র দুটি। এছাড়া শেষ আট ম্যাচের সাতটিতেই প্রথম গোল করেছে ব্লু সামুরাইরা।
দুই দলের সাম্প্রতিক মুখোমুখি লড়াইয়ের স্মৃতিও জাপানের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। ২০২৫ সালের কিরিন কাপে তারা ব্রাজিলকে ৩-২ গোলে হারিয়েছিল। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস ব্রাজিলের পক্ষেই কথা বলে। আসরের ইতিহাসে দুই দলের একমাত্র দেখায় ২০০৬ বিশ্বকাপে ৪-১ গোলে জয় পেয়েছিল সেলেসাওরা।
পরিসংখ্যানও এগিয়ে রাখছে ব্রাজিলকে। অপটার সুপারকম্পিউটারের ১০ হাজার সিমুলেশনের ফল অনুযায়ী, এই ম্যাচে ব্রাজিলের জয়ের সম্ভাবনা ৬৯.৭৫ শতাংশ।
পাঠকের মন্তব্য