![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
বিশ্বকাপ অভিষেকে কেপ ভার্দের ইতিহাস, স্পেনকে রুখে দিয়ে নায়ক গোলরক্ষক ভোজিনিয়া
ফুটবল বিশ্বকাপে প্রায়ই দেখা যায় অঘটন। তবে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই স্পেনের মতো সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলকে রুখে দেওয়া নিঃসন্দেহে কেপ ভার্দের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা অর্জন। মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে বিশ্বকাপের অভিষেকেই ইতিহাস গড়েছে আফ্রিকার ছোট দ্বীপরাষ্ট্রটি।
ম্যাচের আগে অধিকাংশ ফুটবল বিশ্লেষক ও সমর্থকরা ধারণা করেছিলেন, স্পেন হয়তো সহজেই জয় তুলে নেবে। কারণ আগের দিন চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি নবাগত কুরাসাওকে ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল। সেই হিসেবে কেপ ভার্দের বিপক্ষেও স্পেনের একতরফা আধিপত্যের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু মাঠের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। শুরু থেকেই স্পেন বল দখলে রেখে একের পর এক আক্রমণ চালালেও প্রতিবারই বাধা হয়ে দাঁড়ান কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। ৪০ বছর বয়সী এই গোলকিপার যেন একাই রচনা করেছেন প্রতিরোধের মহাকাব্য।
পেদ্রি, ফেরান তোরেস, দানি ওলমোসহ স্পেনের একাধিক তারকা খেলোয়াড় গোলের সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো ব্যর্থ করে দেন ভোজিনিয়া। ম্যাচের ৭১ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। তার গতি, ড্রিবলিং ও আক্রমণাত্মক প্রচেষ্টাও শেষ পর্যন্ত ভোজিনিয়ার বিশ্বস্ত হাতে থেমে যায়।
পরিসংখ্যান বলছে, ম্যাচে অন্তত সাতটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করেছেন কেপ ভার্দের এই গোলরক্ষক। তার দুর্দান্ত সেভগুলো স্পেনের আক্রমণভাগকে ক্রমেই হতাশ করে তোলে। ফলে ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর স্কোরবোর্ডে জ্বলজ্বল করে ০-০ ফলাফল।
বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে স্পেনের বিপক্ষে এক পয়েন্ট অর্জন শুধু একটি ড্র নয়, বরং কেপ ভার্দের ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আর এই ঐতিহাসিক অর্জনের কেন্দ্রে রয়েছেন গোলরক্ষক ভোজিনিয়া, যিনি রাতারাতি দেশের ক্রীড়া ইতিহাসের অন্যতম নায়ক হয়ে উঠেছেন।
পাঠকের মন্তব্য