• হোম > বাংলাদেশ > অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ১১:১২
  • ৭১

---

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অব্যবহৃত ছয় শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন।

গত ১২ এপ্রিল ‘৩২০ কোটি টাকা খরচে ৬ শিশু হাসপাতালের ভবন পড়ে আছে’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন পত্রিকায় প্রকাশ হয়। পরে প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন।

ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও কুমিল্লা-এ আধুনিক ছয়টি হাসপাতাল ভবন নির্মাণ হলেও বছরের পর বছর তা অব্যবহৃত পড়ে আছে।

খবরটি প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন, দ্রুত অব্যবহৃত হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করে চালুর ব্যবস্থা নিতে। একই সঙ্গে আগামী ২ জুন ২০২৬-এর মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

বৈঠকে আরও আলোচনা হয়, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বর্তমানে আংশিক চালু রয়েছে। এ অবস্থায় ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

পাশাপাশি রাজধানী ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়-এর অধীন সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, নীলফামারীতে ১ হাজার শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চীনা দূতাবাসকে সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

জানা গেছে, নীলফামারী সদর উপজেলায় নির্মিতব্য এই হাসপাতাল প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ‘প্রতিটি জেলায় আধুনিক সেকেন্ডারি স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট প্রতিষ্ঠা’ পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, উত্তরাঞ্চল বিশেষ করে রংপুর বিভাগে প্রায় দুই কোটি মানুষের জন্য উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ। দারিদ্র্য, সীমিত স্বাস্থ্য অবকাঠামো ও দক্ষ জনবলের অভাবে জটিল রোগের চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল নির্মিত হলে এটি উত্তরাঞ্চলের জন্য একটি আঞ্চলিক রেফারেল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে এবং উন্নত চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/9980 ,   Print Date & Time: Sunday, 11 October 2026, 02:07:45 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh