![]()
হরমুজ প্রণালী এলাকায় কয়েক দিনের উত্তেজনার পর শনিবার তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি দেখা গেছে। তবে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।
যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধ ও আলোচনার জন্য যে সর্বশেষ প্রস্তাব দিয়েছে, সেটির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি ইরান। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুক্রবার জানিয়েছিলেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তারা তেহরানের জবাব আশা করছেন। তবে একদিন পেরিয়ে গেলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
শনিবার মিয়ামি-তে কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানি-র সঙ্গে বৈঠক করেন রুবিও। সেখানে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হয়।
এদিকে একটি কাতারি এলএনজি ট্যাঙ্কার হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে পাকিস্তান-এর দিকে যাত্রা করেছে বলে শিপিং ডাটায় দেখা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতার ও পাকিস্তানের সঙ্গে আস্থা বাড়ানোর অংশ হিসেবেই ইরান এই যাত্রার অনুমতি দিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই হতে পারে হরমুজ দিয়ে কাতারের প্রথম এলএনজি পরিবহন।
সংঘাতের অংশ হিসেবে ইরানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার হরমুজ এলাকায় ইরানি বাহিনী ও মার্কিন নৌবাহিনীর মধ্যে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ হয়েছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও আবারও উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি জাহাজে হামলা চালিয়ে সেগুলোকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে। একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
এদিকে ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ চীন ও হংকংভিত্তিক কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, তারা ইরানের শাহেদ ড্রোন কর্মসূচির জন্য অস্ত্র ও কাঁচামাল সংগ্রহে সহায়তা করেছে।