![]()
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন করে সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় বিশ্ববাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে জ্বালানি তেলের দাম। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সংঘাত বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার বিশ্ববাজারে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৪ ডলার ৪৪ সেন্টে পৌঁছায়। যদিও মঙ্গলবার ভোরের দিকে কিছুটা কমে তা ১১৩ ডলার ৫৪ সেন্টে নেমে আসে, তবুও বিশ্লেষকদের মতে বাজারে অস্থিরতা এখনো কাটেনি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধ পরিস্থিতির আশঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাম্প্রতিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনীর হাতে ইরানের দ্রুতগামী সামরিক নৌযান ধ্বংসের দাবির পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন রুট হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পরিবহন হয়। ফলে এ অঞ্চলে সামান্য অস্থিরতাও বিশ্ববাজারে বড় প্রভাব ফেলে। চলমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।