![]()
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, সম্প্রতি পাম্পগুলোতে দীর্ঘ ভোগান্তির পেছনে তেল সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোর গাফিলতি ছিল। অনেক ক্ষেত্রে জ্বালানি সচিবের নির্দেশনাও সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হয়নি। শনিবার (২ মে) বিয়াম ফাউন্ডেশনে আয়োজিত ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের জাতীয় সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তার মতে, খনিজ সম্পদ বিভাগ সঠিক উদ্যোগ নিলে দেশকে জ্বালানি আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা থেকে রক্ষা করা সম্ভব। তিনি অভিযোগ করেন, সম্ভাবনাময় খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়ার পরও প্রয়োজনীয় গবেষণা ও উত্তোলন কার্যক্রম যথাযথভাবে এগিয়ে নেওয়া হয়নি।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানান, সরকারের গবেষণা অনুযায়ী দেশের সমুদ্রসীমায় তেল ও গ্যাসের ২৬টি ব্লক রয়েছে। এসব ব্লকে অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম জোরদার করা গেলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি মনে করেন।
সেমিনারে তিনি নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে সরকার বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, “সোলারকে এগিয়ে নিতে আমরা ইনসেন্টিভ দেবো। ট্যাক্স কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। যারা বেশি সোলার ব্যবহার করবে, তাদের কীভাবে বাড়তি সুবিধা দেওয়া যায়, সেটাও ভাবা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, আগামী জুনের মধ্যেই এ সংক্রান্ত নীতিমালা জনসমক্ষে আনা হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ ও নির্দেশনায় সরকার সৌরবিদ্যুৎ খাতকে আরও এগিয়ে নিতে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।