![]()
যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, ইরানের প্রায় ৫০ কোটি ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ডিজিটাল সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি Scott Bessent জানিয়েছেন, “অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি” নামে পরিচালিত অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সম্পদ জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব স্থগিত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে প্রায় ১০ কোটি ডলার এবং পরে আরও প্রায় ৩৫ কোটি ডলারের ডিজিটাল সম্পদ জব্দ করা হয়, যা মিলিয়ে মোট অঙ্ক প্রায় ৫০ কোটি ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানের ব্যাংকিং কার্যক্রমেও চাপ বাড়াচ্ছে।
বেসেন্ট আরও বলেন, Donald Trump-এর নির্দেশনায় গত বছর থেকে এই অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধির প্রচারণা শুরু হয় এবং সম্প্রতি তা আরও জোরদার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিদেশি সরকার, ব্যাংক ও কোম্পানিগুলোকেও ইরানের সঙ্গে আর্থিক ও জ্বালানি লেনদেন বন্ধ করতে চাপ দিচ্ছে। বিশেষ করে ইরানি তেল কেনাবেচা বা এর আর্থিক লেনদেনে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে Iran এই পদক্ষেপকে গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। ইরানের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, এসব নিষেধাজ্ঞা ও আর্থিক চাপ মূলত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা ও তেলের দাম বাড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করবে।
সামগ্রিকভাবে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সংঘাত এখন আরও তীব্র আকার নিচ্ছে, যেখানে সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি আর্থিক নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ জব্দকরণ নতুন চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।