![]()
তরুণ উদ্ভাবকদের প্রতি উৎসাহ ও সমর্থনের এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রাঙ্গণে এক কলেজ শিক্ষার্থীর তৈরি ছোট রেসিং গাড়ি ‘গো-কার্ট’ নিজ হাতে চালিয়ে তিনি সৃজনশীল উদ্যোগকে সম্মান জানান।
শনিবার দুপুরে আয়োজিত এ সংক্ষিপ্ত প্রদর্শনীতে অংশ নেন রিজওয়ান রশিদ নামের এক তরুণ উদ্ভাবক, যিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব নকশা ও হাতে তৈরি করেছেন এই গো-কার্ট। স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করা ধাতব ফ্রেম ও একটি ছোট ইঞ্জিন ব্যবহার করে তৈরি করা হালকা ওজনের এই গাড়িটি প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার একটি চমৎকার উদাহরণ।
![]()
প্রধানমন্ত্রী প্রথমে গো-কার্টটির নকশা, কাঠামো ও ইঞ্জিন বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করেন। পরে রিজওয়ানের প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করতে নিজেই স্টিয়ারিং হাতে নেন এবং স্বল্প দূরত্ব গাড়িটি চালান। এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা ও নিরাপত্তাকর্মীরা এই ব্যতিক্রমী মুহূর্তের সাক্ষী হন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রধানমন্ত্রী তরুণ উদ্ভাবকের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার সৃজনশীলতাকে উচ্চ প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের তরুণদের মধ্যে কারিগরি জ্ঞান ও ব্যবহারিক শিক্ষার প্রসারে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশের উদীয়মান উদ্ভাবন ইকোসিস্টেমের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে। তরুণদের হাতে তৈরি প্রযুক্তিগত সমাধান ও প্রোটোটাইপগুলোকে জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি দেওয়া হলে, তা ভবিষ্যতে স্টার্টআপ সংস্কৃতিকে আরও গতিশীল করে তুলতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রকল্পভিত্তিক শেখা (project-based learning), মেকার স্পেস এবং ইনোভেশন ল্যাবের বিস্তার ঘটানো গেলে এমন আরও অনেক রিজওয়ান তৈরি হবে, যারা দেশের প্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে।