![]()
ইসরাইলি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম KAN এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রের বরাতে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান-এর পরোক্ষ আলোচনা চলমান থাকলেও পরিস্থিতি আবারও সামরিক উত্তেজনার দিকে গড়াচ্ছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ায় ইসরাইল নতুন করে সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ওয়াশিংটনকে সে বিষয়ে বার্তাও পাঠিয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রও মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান, জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনকে বিশ্লেষকরা সম্ভাব্য বড় ধরনের উত্তেজনার প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন। একইসঙ্গে ইসরাইলি সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরাইলি পরিকল্পনায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে—যা সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে এ ধরনের তথ্যগুলো সাধারণত যুদ্ধ-সম্পর্কিত সময়গুলোতে বিভিন্ন মিডিয়া ও গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে আসে, যেগুলোর অনেকটাই নিশ্চিতভাবে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন।
অন্যদিকে একই সময়ে লেবানন ফ্রন্টে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সীমিত সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে, যা আগে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, একাধিক ফ্রন্টে উত্তেজনা চলতে থাকায় পুরো অঞ্চলে বড় ধরনের অস্থিরতার ঝুঁকি বাড়ছে, যদিও কূটনৈতিক আলোচনাও পাশাপাশি চলছে।