![]()
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশে জনগণের সরাসরি ভোটে একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়েছে, যা দীর্ঘদিনের জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থার প্রত্যাশার প্রতিফলন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান আবারও প্রমাণ করেছে যে রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক জনগণ, এবং প্রশাসনের দায়িত্ব তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা।
আজ সকালে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বিয়াম ফাউন্ডেশন-এর ট্রেনিং কাম ডরমেটরি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এই প্রকল্প শুধু একটি অবকাঠামো নয়, বরং প্রশাসনিক সক্ষমতা, নেতৃত্ব গঠন ও মানবসম্পদ উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, জনপ্রশাসনকে জনগণের স্বার্থে কাজ করতে হবে এবং প্রতিটি সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিকতা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রশাসনের জন্য শুধু নিয়ম জানা যথেষ্ট নয়; বরং প্রযুক্তি ব্যবহার, তথ্য বিশ্লেষণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সৃজনশীলতা প্রয়োজন।
তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস-এর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি হলো দক্ষ ও নৈতিক প্রশাসন, যার ওপর একটি জাতির উন্নয়ন নির্ভর করে। নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলির ক্ষেত্রে মেধা ও যোগ্যতাকে প্রধান ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করার ওপর তিনি জোর দেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার “মেরিটোক্রেসির বাংলাদেশ” গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং প্রশাসনিক সংস্কার, ডিজিটালাইজেশন, ওয়ান স্টপ সার্ভিস ও সিঙ্গেল উইন্ডো সিস্টেম চালুর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সেবা আরও সহজ ও কার্যকর করা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মকর্তারা বলেন, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও জনসেবাকে আরও গতিশীল করতে সহায়ক হবে।