![]()
রাজধানীর জ্বালানি তেল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। নতুন করে চালু হওয়া ‘ফুয়েল পাস’ ব্যবস্থার ফলে গ্রাহকরা একবারে তুলনামূলক বেশি পরিমাণ তেল নিতে পারছেন, যা কয়েক দিন ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে বারবার পাম্পে আসার প্রয়োজন কমে গিয়ে ভিড় ও লাইনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আগে যেখানে জ্বালানি নিতে ৪-৫ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতো, এখন তা কমে ১-২ ঘণ্টার মধ্যে নেমে এসেছে। এতে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। পাম্প সংশ্লিষ্টদের মতে, যানবাহনের চাপ এখন নিয়ন্ত্রণে এবং লাইনের দৈর্ঘ্যও আগের তুলনায় অনেক কম।
তবে সব পাম্পে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। অনেক পাম্পে জ্বালানি না থাকায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছে। গতকালের মজুদ তেল দিয়ে কিছু পাম্প দুপুর বা বিকেল পর্যন্ত সরবরাহ চালালেও নতুন সরবরাহ না থাকায় পরে বিক্রি বন্ধ করতে হয়েছে। বিশেষ করে শুক্রবার সরকারি ছুটির কারণে ডিপো থেকে নতুন তেল না আসায় এই সংকট আরও কিছুটা প্রকট হয়েছে।
পাম্প মালিক ও কর্মীরা জানান, চাহিদা আগের মতো থাকলেও ‘ফুয়েল পাস’ ব্যবস্থার কারণে গ্রাহকরা একবারে ১০০০-১২০০ টাকার তেল নিচ্ছেন, যা ২-৩ দিন ব্যবহার করা যাচ্ছে। ফলে পাম্পে আগমনের সংখ্যা কমে গিয়ে লাইনের চাপ কমেছে এবং ব্যবস্থাপনা সহজ হয়েছে।
অন্যদিকে, এই ব্যবস্থায় কিছু অসন্তোষও রয়েছে। অনেক গ্রাহক অভিযোগ করছেন, ফুয়েল পাস না থাকলে নির্ধারিত সীমার বেশি তেল পাওয়া যাচ্ছে না, ফলে জরুরি প্রয়োজনেও পর্যাপ্ত জ্বালানি সংগ্রহে সমস্যা হচ্ছে। এতে পাসধারীরা তুলনামূলক বেশি সুবিধা পাচ্ছেন বলে মনে করছেন তারা।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ব্যাংক ও ডিপো খোলার পর নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ শুরু হলে পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে এবং ভোগান্তি আরও কমে আসবে।