![]()
পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ভক্তদের আগ্রহ কখনোই কমেনি। সংগীত, নৃত্য ও স্টেজ পারফরম্যান্সে যিনি হয়ে উঠেছিলেন এক অনন্য কিংবদন্তি—তার জীবন এবার বড় পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে বায়োপিক চলচ্চিত্র ‘Michael’-এ।
আগামীকাল ২৪ এপ্রিল আন্তর্জাতিক মুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশেও সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সে। হলিউড নির্মাতা অ্যান্টনি ফুকো পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তারই ভাইয়ের সন্তান জাফার জ্যাকসন, যা ভক্তদের মধ্যে বাড়তি আবেগ ও আগ্রহ তৈরি করেছে।
সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন মাইলস টেলার, কোলম্যান ডোমিঙ্গো, ক্যাট গ্রাহাম, লরা হ্যারিয়ার, কেনড্রিক স্যাম্পসন ও জুলিয়ানো ক্রু ভ্যালদি।
এই বায়োপিকে শুধু মঞ্চের ঝলক নয়, তুলে ধরা হয়েছে মাইকেল জ্যাকসনের ব্যক্তিজীবনের অনেক অজানা দিক। ‘জ্যাকসন ফাইভ’ ব্যান্ডের একজন তরুণ প্রতিভা থেকে কীভাবে তিনি বিশ্ব সংগীতের ইতিহাসে সর্বকালের অন্যতম বড় তারকা হয়ে উঠলেন—সেই যাত্রাই ফুটে উঠেছে চলচ্চিত্রে।
তার একাকীত্ব, মানসিক সংগ্রাম, সাফল্যের উত্থান-পতন এবং সংগীতজগতের সোনালী মুহূর্তগুলো নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বাবা জো জ্যাকসন, মা ক্যাথরিন জ্যাকসন এবং বোন লাটোয়া জ্যাকসনের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখানো হয়েছে।
সংগীত ইতিহাসে মাইকেল জ্যাকসনের প্রভাব এখনও অপরিসীম। ২০০৯ সালে মাত্র ৫০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করলেও তার জনপ্রিয়তা এখনো আকাশছোঁয়া। বর্তমানে স্পটিফাইয়ে তার মাসিক শ্রোতা প্রায় ৬৫ মিলিয়ন, যা প্রমাণ করে তার সংগীত আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
সিনেমাটির টিজার মুক্তির পর মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ১১৬ মিলিয়নের বেশি ভিউ পেয়ে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে ‘Michael’। মুক্তির আগেই এটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশে মাইকেল জ্যাকসনের বিপুল ভক্ত রয়েছে। তাই এই বায়োপিক দর্শকদের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে বলে তারা আশা করছে।