![]()
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের প্রস্তুতি যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে, তখন ফুটবলের বাইরেও রাজনৈতিক উত্তাপ দিন দিন বাড়ছে। উত্তর আমেরিকায় আগামী জুনে শুরু হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপকে ঘিরে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় এখন ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় তৈরি হলে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বিশেষ দূত একটি বিতর্কিত প্রস্তাব সামনে আনেন। তার প্রস্তাব ছিল—ইরান অংশ নিতে না পারলে, তাদের জায়গায় যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ ইতালিকে সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।
প্রস্তাবটি আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে দ্রুতই আলোচনার ঝড় তোলে। ইতালি—যারা চারবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন—এই প্রস্তাবকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির ক্রীড়া ও অর্থনৈতিক নেতৃত্ব একে ফুটবলের মৌলিক নীতির পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছে। তাদের মতে, বিশ্বকাপের জায়গা কেবল মাঠের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হওয়া উচিত, কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নয়।
অন্যদিকে ইরান ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, তারা পুরোপুরি প্রস্তুত এবং খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ফিফা এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি।
ফুটবল বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বিতর্ক কেবল একটি টুর্নামেন্টকে ঘিরে নয়—বরং এটি খেলাধুলা ও রাজনীতির সম্পর্ককে আবারও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।