• হোম > রাজনীতি > সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রার্থী জেবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব ও সম্পদ গোপনের অভিযোগ

সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রার্থী জেবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব ও সম্পদ গোপনের অভিযোগ

  • বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:২৪
  • ৬৮

---
 ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রার্থী জেবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব, হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপন এবং একাধিক ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলার অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২ অনুবিভাগের যুগ্মসচিব ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করা অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, জেবা আমিনা খান বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। অভিযোগকারীর মতে, সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হারান।

সম্পদ গোপনের অভিযোগ

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থী তার নির্বাচনী হলফনামায় স্থাবর সম্পদের পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেননি। অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী, রাজধানীর গুলশান এলাকায় ১০৮ নং রোডের একটি প্লটে তার নামে মোট সাতটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি ফ্ল্যাটের হোল্ডিং ট্যাক্স দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া রয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৩২ লাখ টাকার বেশি।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব সম্পদের তথ্য হলফনামায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

যুক্তরাজ্যে সম্পৃক্ততার তথ্য

সংযুক্ত নথিতে

যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি কোম্পানির রেকর্ড উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে জেবা আমিনা খানকে পরিচালক হিসেবে দেখানো হয়।

কোম্পানিটি পরবর্তীতে বিলুপ্ত হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। তার জাতীয়তা, বসবাস এবং ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

একাধিক মামলা ও অভিযোগ

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জেবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বিগ্যামি, জালিয়াতি, পারিবারিক বিরোধ, সন্তানের অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত মামলা এবং সশস্ত্র হামলার অভিযোগ। তবে এসব মামলার কোনোটিরই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি বা রায়ের বিষয়ে অভিযোগপত্রে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

নির্বাচন কমিশনে তদন্তের দাবি

অভিযোগকারী নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করেছেন, উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে দ্রুত তদন্ত পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হোক।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/9219 ,   Print Date & Time: Friday, 25 September 2026, 12:33:47 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh