![]()
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
গতকাল বাংলাদেশ সচিবালয়-এ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)-এর নির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেন তাঁর সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তিনি নিয়মিত পত্রিকা পড়েন ও টেলিভিশন দেখেন এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ধৈর্যের সঙ্গে নোয়াব সদস্যদের বক্তব্য শোনেন এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর এ ধরনের মতবিনিময় সভা আয়োজনের কথা জানান। তিনি প্রতি তিন মাস অন্তর এমন বৈঠক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকের শুরুতে নোয়াবের সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী সংবাদপত্র শিল্পের বিদ্যমান সংকট তুলে ধরে সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।
নোয়াব সদস্যরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর বিজয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান এবং ২০০১ সালে সংবাদপত্রকে শিল্প হিসেবে ঘোষণার বিষয়টি স্মরণ করেন। তারা বলেন, বর্তমানে সংবাদপত্র খাত রুগ্ণ শিল্পে পরিণত হয়েছে।
এ সময় বিগত সরকারের সময়ের বকেয়া সরকারি বিজ্ঞাপন বিল পরিশোধ এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেফতার সাংবাদিকদের জামিনের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।
বেলা ২টা ২০ মিনিটে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৩টায় শেষ হওয়া বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন এবং গ্রুপ ছবি তোলেন। বিএনপি সরকার গঠনের পর নোয়াবের সঙ্গে এটিই তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।