![]()
ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ-এও। কয়েকদিন আগেও রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নিতে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে চালকদের, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলেছে অপেক্ষা ও ভোগান্তি।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই গত শনিবার রাতে সরকার জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। দাম বৃদ্ধির পর রাজধানীতে কিছুটা স্বস্তির চিত্র দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা গেছে, ফিলিং স্টেশনগুলোতে আগের তুলনায় ভিড় কমেছে এবং অপেক্ষার সময়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা যেমন আসাদ গেট, কল্যাণপুর, টেকনিক্যাল ও গাবতলীর একাধিক পাম্পে দেখা যায়, মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের লাইনে চাপ আগের তুলনায় অনেক কম। বিশেষ করে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি এখন ছোট হয়ে এসেছে।
চালকদের মধ্যে অনেকেই জানান, আগে জ্বালানি নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো, এখন তুলনামূলক দ্রুত পাওয়া যাচ্ছে। দাম বাড়ার পর চাহিদা কিছুটা কমে যাওয়ায় এই স্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন তারা।
তবে পাম্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরবরাহ পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। বিশেষ করে অকটেনের ক্ষেত্রে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে, যার কারণে নির্দিষ্ট সময়ে জ্বালানি বিক্রি শুরু করতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দাম বৃদ্ধির ফলে চাহিদা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে, তাই লাইনের চাপ কমেছে। তবে জ্বালানির সরবরাহ ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা না এলে পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতি ফিরতে আরও সময় লাগবে।