![]()
গত বছর বিশ্বের ৩৮টি দেশে ২ হাজার ১৯৪ টন আম রফতানি করে রেকর্ড গড়েছিল বাংলাদেশ। এবার ব্যবসায়ীদের আশা, অন্তত ৩ হাজার টন আম রফতানি সম্ভব হতে পারে। নতুন করে মালয়েশিয়া ও জাপান-এর বাজারেও আম রফতানির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
অনুকূল আবহাওয়ার কারণে চলতি মৌসুমে দেশে আমের বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উৎপাদন ২৭ লাখ টন ছাড়িয়ে যেতে পারে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬ লাখ ৬৬ হাজার টন। তবে আবহাওয়া সহায়ক থাকলে এবার সেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ডিএই’র ‘রফতানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্প’-এর পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, এ বছর ২ লাখ ৪ হাজার হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত উৎপাদনে বড় কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি।
আগামী মাস থেকে আম সংগ্রহ শুরু হয়ে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলবে। প্রধান উৎপাদনকারী জেলা হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, সাতক্ষীরা এবং দিনাজপুর।
তিনি বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে বড় ধরনের ক্ষতি না হলে ২৭ লাখ টন আম উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে এবং রফতানিতেও নতুন রেকর্ড হতে পারে। গত বছর চীন-এ ৩ টন আম পাঠানোর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো রফতানি শুরু হয়।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২ লাখ ৫ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ করে ২৬ লাখ ৭০ হাজার টন আম উৎপাদন হয় এবং রফতানি হয় ২ হাজার ১৯৪ টন। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উৎপাদন ২৭ লাখ টন ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের আমের প্রধান রফতানি বাজার মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপ। ক্ষীরসাপাতি, গোপালভোগ, ফজলি, হাঁড়িভাঙ্গা ও আম্রপালি জাতের আম যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স, কানাডা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সৌদি আরব, জার্মানি ও সুইডেনসহ অন্তত ৩৮টি দেশে রফতানি করা হয়।