![]()
দেশের সামুদ্রিক বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আমদানি-রপ্তানির ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে চট্টগ্রাম ‘বে টার্মিনাল’ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। গতকাল (১৮ এপ্রিল) প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, প্রকল্পটিকে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে সরকার একাধিক আন্তর্জাতিক পোর্ট অপারেটরের সঙ্গে প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছেছে।
প্রকল্পটির বিশাল অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিবেচনায় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এতে বিনিয়োগ ও পরিচালনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বে টার্মিনাল প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা ও অগ্রগতি নিম্নরূপ:
-
তিনটি টার্মিনাল ও অংশীদারিত্ব: প্রকল্পটি তিনটি পৃথক টার্মিনালে বিভক্ত করে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম টার্মিনালটি সিঙ্গাপুরভিত্তিক পিএসএ ইন্টারন্যাশনাল এবং দ্বিতীয়টি ডিপি ওয়ার্ল্ড-এর মাধ্যমে নির্মাণের বিষয়ে প্রাথমিক সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া তৃতীয় টার্মিনালটি নির্মাণের জন্য সৌদি আরবের একটি কোম্পানি আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
-
লালদিয়া প্রকল্প: বে টার্মিনালের পাশাপাশি লালদিয়া এলাকায় চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও আন্তর্জাতিক যুক্ততা রয়েছে। সেখানে টার্মিনাল কার্যক্রমের সঙ্গে এপি মোলার-মায়ের্স্ক যুক্ত হয়ে কাজ করছে।
-
অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার: মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বৈচিত্র্য আনতে বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। তৈরি পোশাক শিল্পের বাইরে অন্যান্য খাতের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সুফল নিশ্চিত করতেই সরকার এই প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
সরকার বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাবগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। বিশেষ করে জাতীয় স্বার্থ, আর্থিক সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সুবিধার বিষয়গুলো মাথায় রেখেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী।