![]()
গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে ‘হুজ হু বাংলাদেশ ২০২৬’ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করে দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ। এ সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে ঐক্য, আন্তরিকতা ও সম্মিলিত প্রয়াসের বিকল্প নেই। অতীতের বিতর্কে না গিয়ে ভবিষ্যতের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়াই এখন সময়ের দাবি। আসুন আমরা একসঙ্গে কাজ করি, ঐক্যবদ্ধ হই এবং বাংলাদেশের সাফল্য নিশ্চিত করি।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং উন্নয়নমুখী রাজনীতিতে বিশ্বাসী।’ তিনি “সবার আগে বাংলাদেশ”—এ নীতিকে ধারণ করে সবাইকে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করার আহ্বান জানান।
এ বছর যারা ‘হুজ হু বাংলাদেশ ২০২৬’ সম্মাননা পেয়েছেন তারা হলেন কৃষিতে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, শিল্প ও সংস্কৃতিতে ফরিদা আক্তার পপি (ববিতা), শিল্প ও সাহিত্যে কথাসাহিত্যিক রাহিতুল ইসলাম, শিক্ষায় মনসুর আহমেদ চৌধুরী।
এছাড়া উদ্যোক্তা (পুরুষ) পুরস্কার পেয়েছেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও ব্যবসায়ী এরশাদ উল্লাহ, উদ্যোক্তা (নারী) কনা আলম, পেশাজীবী ক্যাটাগরিতে শাখাওয়াত হোসেন (সিইও, হোটেল শেরাটন ও ওয়েস্টিন), সাংবাদিকতায় ৭১ টিভির সিইও শফিক আহমেদ, ক্রীড়ায় সাঈদ উর রব (যুক্তরাষ্ট্র), সমাজসেবায় শান্তি শ্রী (শ্রী চিন্ময় ফাউন্ডেশন) এবং আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন দৃকের প্রতিষ্ঠাতা আলোকচিত্রী শহিদুল আলম।
১৮৪৯ সাল থেকে যুক্তরাজ্যসহ সারা বিশ্বের অনুসরণীয় গুণীজনদের জীবনী প্রকাশ ও সম্মাননা প্রদান করে আসছে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ‘হুজ হু’। বাংলাদেশে ২০১৬ সাল থেকে প্রতি দুই বছর অন্তর এ সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখা ব্যক্তিদের বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করা ও অনুপ্রাণিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।