![]()
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, প্রায় ৩৪ বছর পর ইসরায়েল ও লেবাননের নেতারা সরাসরি সংলাপে বসতে যাচ্ছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এ তথ্য দিয়ে বলেন, দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এতে কিছুটা স্বস্তির সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এর আগে ওয়াশিংটনে দুই দেশের দূতদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে, যেখানে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বন্ধের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে আসন্ন সংলাপে ঠিক কারা অংশ নেবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প।
বর্তমানে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান আরও জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন, যার লক্ষ্য হিসেবে তিনি হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা এবং সীমান্তে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন।
অন্যদিকে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, ইরান-সম্পর্কিত ঘটনাপ্রবাহ এবং আগের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়ায় তারা হামলা চালিয়েছে। এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত হাজারো মানুষ নিহত এবং প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও মানবিক সংকটে পরিণত করেছে।
লেবানন সরকার সরাসরি এই সংঘাতে পক্ষ না হলেও তারা যুদ্ধবিরতি এবং দক্ষিণাঞ্চল থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে। তবে চলমান সামরিক অভিযান, ‘বাফার জোন’ তৈরির পরিকল্পনা এবং সীমান্ত এলাকায় তীব্র লড়াইয়ের কারণে পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত অনিশ্চিত।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন পর এই সম্ভাব্য সংলাপ একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে বাস্তবে সংঘাত কমাতে হলে শুধু আলোচনা নয়, মাঠপর্যায়ের সামরিক উত্তেজনাও কমানো জরুরি।