![]()
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী দুই দিনের মধ্যে পাকিস্তানে আবারও শান্তি আলোচনা শুরু হতে পারে।
তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি পাকিস্তান–এ অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে এবং প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন ইরানি বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে। তবে একই সঙ্গে নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে বলেন, খুব শিগগিরই বড় কিছু ঘটতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় অংশ নিতে আগ্রহী। পাশাপাশি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মন্তব্য করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে একটি “মহা-চুক্তি” করতে চায়, তবে দুই দেশের মধ্যে আস্থার ঘাটতি এখনো বড় বাধা।
চলমান এই পরিস্থিতির মধ্যে ইরান ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়লেও কূটনৈতিক আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে বলে জানা গেছে।
আলোচনার মূল ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদে কার্যক্রম স্থগিত রাখার দাবি তুললেও ইরান তুলনামূলক স্বল্প সময়ের জন্য সীমিত স্থগিতাদেশের প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া ইউরেনিয়াম মজুদ নিয়েও দুই পক্ষের অবস্থান এখনো ভিন্ন।
সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত থাকলেও পরবর্তী দফার আলোচনায় কিছুটা সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।