![]()
Donald Trump জানিয়েছেন, একটি ‘প্রকৃত চুক্তির’ শর্ত পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের ভেতরে ও আশপাশে অবস্থান বজায় রাখবে। নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, এ অবস্থানে থাকবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও সামরিক সদস্যরা। পাশাপাশি পর্যাপ্ত গোলাবারুদ, অস্ত্রশস্ত্র ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যা প্রয়োজনে শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা হবে।
তিনি দাবি করেন, চুক্তি লঙ্ঘনের সম্ভাবনা খুবই কম। তবে সতর্ক করে বলেন, কোনো কারণে তা ভঙ্গ হলে এমন তীব্র হামলা চালানো হবে, যা অতীতের যেকোনো অভিযানের চেয়েও শক্তিশালী ও ব্যাপক হবে।
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং Strait of Hormuz উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখা হবে—এটাই মূল সিদ্ধান্ত।
পোস্টের শেষদিকে তিনি জানান, মার্কিন বাহিনী ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।
এর আগে তিনি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন এবং এই প্রক্রিয়ায় Pakistan-এর মধ্যস্থতার প্রশংসা করেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী Shehbaz Sharif ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi প্রাথমিক চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ইরানের ওপর হামলা বন্ধ থাকলে তারাও সামরিক প্রতিক্রিয়া স্থগিত রাখবে। একইসঙ্গে আগামী দুই সপ্তাহে সমন্বয়ের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।